মেনু নির্বাচন করুন

শিরোনাম
হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর মাজার ও মসজিদ
স্থান

 

শাহজাদপুর উপজেলা

কিভাবে যাওয়া যায়

 

বাস ও ট্রেন যোগাযোগ-ঢাকা থেকে ট্রেনে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে সিএনজি/ বাস যোগে এবং ঢাকা থেকে বাস যোগে সরাসরি শাহজাদপুর বিসিক বাসস্ট্যান্ডে নেমে মাত্র ১০-২০ টা কা ভাড়ায় যেকোন রিক্সা/ভ্যানগাড়ীতে চড়ে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর মাজার শরীফে আসা যায় । ঢাকা হতে বাসযোাগে কল্যানপুর/টেকনিক্যাল/গাবতলী অথবা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে উঠতে হয় । তবে ঢাকা হতে যেসকল গাড়ি শাহজাদপুর হয়ে পাবনা যায় সেসকল গাড়ীতে যাতায়াত করতে হবে। শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস,পাবনাএক্সপ্রেস, আলহামরা, শ্যামলী পরিবহন ইত্যাদি গাড়িগুলো সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর হয়ে শাহজাদপুর হয়ে পাবনা যায়।। এর মধ্যে শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস,পাবনা এক্সপ্রেস, শ্যামলী পরিবহন কোচগুলোর এসি সার্ভিস রয়েছে । এসি কোচ গুলো ঢাকা থেকে বিকাল৩-৪ টার মধ্যে ছাড়ে ।ঢাকা খেকে শাহজাদপুরে আসতে বাসে প্রায় ৩.৩০ - ৪ ঘন্টা লাগে । ঢাকা থেকে আসার সময় টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় অথবা সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলের ফুডভিলেজ/এরিষ্টোক্রেট হোটেলে ২০ মিনিটের যাত্রা বিরতি দেয় । শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক/ দিলরুবা বাসস্ট্যান্ডে নামতে হয় । সেখান থেকে ১০/১৫-টাকার রিক্সা ভাড়া দিয়ে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর মাজার ও মসজিদ এ আসা যায় ।

বিস্তারিত

 

শাহ্জাদপুর পৌর শহরের করতোয়া নদীর তীরে শাহ্জাদপুর মৌজার জে.এল.নং ৬২ এর ০.১৮০০ একর ভূমিতে মাজার ও মসজিদের মূল ক্যাম্পাস অবস্থিত। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) মাজার ও মসজিদ ওয়াকফ এস্টেট এর ৮.৫৬ একর ফসলী জমি আছে। হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর মৃ্ত্যুর পর তাঁর সহচরগণ শাহ্জাদপুরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এই মসজিদটিকে নিয়ে নানা রকম কেচ্ছা-কিংবদন্তী প্রচলিত আছে।

 

এটি বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে দরগা পাড়া মখদুমিয়া জামে মসজিদ বা ‘দরগাহ মসজিদ’ নামে পরিচিত। এই মসজিদটি স্থাপত্য শৈলীর এক অপূর্ব নিদর্শন। করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই মসজিদটি আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীতে নির্মিত। এর দৈর্ঘ্য ১৯.১৩ মিটার এবং ১২.৬০ মিটার প্রস্থ। মসজিদটিতে রয়েছে ১৫ টি গম্বুজ এবং প্রত্যেক সারিতে রয়েছে পাঁচটি করে গম্বুজ। এখানে আরবি হরফে উৎকীর্ণ শীলালিপি ও ফুল লতাপাতার নকসা রয়েছে। এই মসজিদের পাশেই হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর মাজার এবং অন্যান্য শহিদের কবর আছে। এটি এ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্বের স্থাল বলে বিবেচিত। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই এই মসজিদ ও মাজারকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে।